Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি (পাইলট প্রোগ্রাম)

যুব উন্ন্য়ন অধিদপ্তর

গোপালগঞ্জ।

 

ভূমিকাঃ

     গণপ্রজতন্ত্রী বাংলাদেশ  সরকার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে  ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচিঃ মাধ্যমিক ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন ১৮-৩৫ বছর  বয়সী যুবক/যুবমহিলাদের জাতি গঠনমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে অস্থায়ী কর্মসংস্থান সৃস্টি নীতিমালা  সরকার কর্তৃক  ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে অনুমোদিত হয়। অনুমোদিত নীতিমালা  অনুসারে গোপালগঞ্জ জেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস পাইলটিং কর্মসূচি চালু হয়। মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে বিগত ৩১/০৭/২০১০ খ্রিঃ তারিখে গোপালগঞ্জ জেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন । নীতিমালা  অনুসারে লক্ষ্যভূক্ত যুবদেরকে ১০টি  নির্ধারিত মডিউলে তিনমাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।  প্রশিক্ষণোত্তর যুবদেরকে স্থানীয় বিভিন্ন সংস্থায়  ২ বছরের জন্য অস্থায়ীভাবে সংযুক্তি প্রদান করা হয়। প্রত্যেক যুবক/যুবমহিলা প্রশিক্ষণকালীন দৈনিক ১০০/-টাকা কর্মকালীন দৈনিক ২০০/-টাকা হারে মাসিক মোট ৬০০০/-টাকা ভাতা পেয়ে থাকেন। কর্মভাতা হতে প্রত্যেক যুবক/যুবমহিলা ৪০০০/-টাকা করে মাস শেষে পেয়ে থাকেন এবং অবশিষ্ট ২০০০/- টাকা সংস্লিষ্ট যুবদের ব্যাংক হিসাবে জমা থাকে যা অস্থায়ী কর্মের মেয়াদ পূর্তিতে ফেরত প্রদান করা হবে। এ কর্মসূচি শিক্ষিত বেকার যুবদের জাতি গঠন মূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করণের একটি উল্লেখযোগ্য প্রক্রিয়া। কর্মসূচির প্রশিক্ষণ ও অস্থায়ী সংযুক্তির অভিজ্ঞতা কাজে লগিয়ে একজন যুবক/যুব মহিলা অস্থায়ী সংযুক্তির মেয়াদ পূর্তির পর উপার্জনে সক্ষম হবেন কিংবা আত্ম-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সাবলম্বিতা অর্জনে সক্ষম হবেন। সংযুক্তিপ্রাপ্তরা বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী সংস্থায়  নিয়োজিত হয়ে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সংস্লিষ্ট যুবদের কর্মমেয়াদ আগামী ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের প্রথমার্ধে শেষ হবে।

 

এক নজরে গোপালগঞ্জ জেলার ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি (জুন/ ২০১৩ পর্যন্ত)ঃ

১)    কার্যক্রম শুরুঃ ২০০৯ - ২০১০ অর্থ বছর

২)    কর্মসূচির উদ্বোধনঃ ৩১/০৭/২০১০  খ্রিঃ

২.১)উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি

২.২)নির্বাচিত বেকার যুবসংখ্যাঃ ১৯৩৯৪ জন

২.৩)প্রশিক্ষণ সমাপনকারী যুবসংখ্যাঃ ১৬৫৪৫ জন

২.৪)সংযুক্তিপ্রাপ্ত যুবসংখ্যাঃ ১৬৩৩৭ জন

২.৫ ক)সদরঃ ৩৯৫০ জন

    খ)টুংগীপাড়াঃ ১৫২২ জন                     

    গ) কাশিয়ানীঃ ৪৪৪৬ জন

    ঘ)মুকসুদপুরঃ ২৮৮৮জন

    ঙ) কোটালীপাড়াঃ ৩৫৩১জন

 

৩। সংযুক্তি ও মেয়াদপূর্তি সংক্রান্ত তথ্যঃ

 

ক্রমিক নং

ব্যাচ সংখ্যা

জন

সংযুক্তির তারিখ

মেয়াদপূর্তির তারিখ

মন্তব্য

১.

১ম ব্যাচ

৪৬৩৫ জন

১/১১/২০১০ খ্রিঃ

৩১/১০/২০১২খ্রিঃ

 

২.

২য় ব্যাচ

৪৫১৪ জন

৬/২/২০১১ খ্রিঃ

০৫/০২/২০১৩খ্রিঃ

 

৩.

৩য় ব্যাচ

৪০৫৯ জন

১৫/৫/২০১১ খ্রিঃ

১৪/০৫/২০১৩খ্রিঃ

 

৪.

৪র্থ ব্যাচ

৩১২৯ জন

০১/৯/২০১১ খ্রিঃ

৩১/৮/২০১৩খ্রিঃ

 

 

মোট

১৬৩৩৭জন

 

 

 

 

৪। আর্থিক বরাদ্দ ও ব্যয়ের বিবরণঃ

 

ক্রমিক নং

অর্থ বছর

মোট বরাদ্দ ও ব্যয়ের পরিমাণ

অবশিষ্ট

মন্তব্য

 

 

বরাদ্দ

ব্যয়ের পরিমাণ

 

 

১.

২০০৯-২০১০

৬,৭৩,৪৪,৫০০

১,৩০,৪৭,৩৫০

৫,৪২,৯৭,১৫০

 

২.

২০১০-২০১১

৪৬,৮৪,১৬,০০০

৪৪,৫৫,২৪,৮৫৬

২,২৮,৯১,১৪৪

 

৩.

২০১১-২০১২

৭৪,৫৪,৫২,০০০

৭২,৪৯,৪৯,০৬৯

২,০৫,০২,৯৩১

 

৪.

২০১২-২০১৩

১০৪,৪৫,৬০,১০০

৯৮,০৮,৫০,৩৪৩

৬,৩৭,০৯,৭৫৭

 

 

মোট

২৩২,৫৭,৭২,৬০০

২১৬,৪৩,৭১,৬১৮

১৬,১৪,০০,৯৮২

 

                                                                                                 

জেলার ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচিঃ

 

গোপালগঞ্জ জেলার ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির ব্যাচভিত্তিক হালনাগাদ প্রতিবেদন।

 

প্রশিক্ষণঃ

 

উপজেলার নাম

মোট

১ম ব্যাচ

(সমাপ্ত)

২য় ব্যাচ (সমাপ্ত)

৩য় ব্যাচ

 (সমাপ্ত)

৪র্থ ব্যাচ

(সমাপ্ত)

মোট

মন্তব্য

গোপালগঞ্জ সদর

 

৪৮৪৫

৮৩২

৯৫২

১০১৮

১১৩৭

৩৯৩৯

 

টুংগীপাড়া

 

১৮৫৪

৯০১

৬৮৭

০০

০০

১৫৮৮

 

কোটালীপাড়া

 

৪২৫৫

৯৪০

৯৬৬

৯৭৪

৬৮০

৩৫৬০

 

মুকসুদপুর

 

৩৭৮৮

৯৮৯

১০০০

৯২২

০০

২৯১১

 

কাশিয়ানী

 

৪৬৫২

৯৮৪

১০০০

১১৭১

১৩৯২

৪৫৪৭

 

মোট

 

১৯,৩৯৪

৪,৬৪৬

৪,৬০৫

৪,০৮৫

৩২০৯

১৬,৫৪৫

 

 

২। কর্মে সংযুক্তিঃ

 

উপজেলার নাম

 

১ম ব্যাচ

 

২য় ব্যাচ

 

৩য় ব্যাচ

 

৪র্থ ব্যাচ

মোট

গোপালগঞ্জ সদর

 

৮৩২

৯৫২

১০১৬

১১৫০

৩৯৫০

টুংগীপাড়া

 

৯০১

৬২১

০০

০০

১৫২২

কোটালীপাড়া

 

৯৪০

৯৫২

৯৬৬

৬৭৩

৩৫৩১

মুকসুদপুর

 

৯৭৮

৯৮৯

৯২১

০০

২৮৮৮

কাশিয়ানী

 

৯৮৪

১০০০

১১৫৬

১৩০৬

৪৪৪৬

মোট

 

৪৬৩৫

৪৫১৪

৪০৫৯

৩১২৯

১৬৩৩৭

  

গোপালগঞ্জ জেলায় মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১৬৩৩৭ জন। ইতোমধ্যে ১ম, ২য় ও ৩য় ব্যাচের মোট ১৩২৮৩ জনের সংযুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে । বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলায় ৪র্থ ব্যাচের মোট ৩০৫৪ জন যুব ও যুব মহিলা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছে যাদের মেয়াদ আগামী  ৩১ আগষ্ট ২০১৩ তারিখে শেষ হবে।

 

৩। কর্মে সংযুক্তি (ট্রেড ভিত্তিক)ঃ

ব্যাচ

উপজেলার নাম

শিক্ষা

কৃষি

স্বাস্থ্য ও পঃ

পরিঃ

স্থানীয় সরকার

জন নিরাঃ

কম্পি-উটার

শাঃ শিক্ষা

মোট

পুরুষ

মহিলা

প্রাথঃ

মাধ্যঃ

১ম ব্যাচ

সদর

১১৬

৭১

১৪৩

১৯৭

১৭৩

৭৩

৫৯

০০

৮৩২

৪২৮

৪০৪

টুংগীপাড়া

১০৪

১০০

১৮৭

২৯৩

১০৬

০০

১১১

০০

৯০১

৪৭৬

৪২৫

কোটালীপাড়া

২৩৭

৫২

২০০

২০০

৯৫

৯১

৬৫

০০

৯৪০

৫৩০

৪১০

মুকসুদপুর

২২৮

৫৯

১৯৩

২০৯

১৯১

০০

৯৮

০০

৯৭৮

৫০৮

৪৭৮

কাশিয়ানী

১৯৮

৫৫

৩১৪

১৯০

১৩৪

০০

৯৩

০০

৯৮৪

৪৯৪

৪৯০

মোট

৮৮৩

৩৩৭

১০৩৭

১০৮৯

৬৯৯

১৬৪

৪২৬

০০

৪৬৩৫

২৪২৮

২২০৭

২য় ব্যাচ

সদর

২১২

৭৩

২১০

২২১

১৭০

-

৬৬

-

৯৫২

৪৭৯

৪৭৩

টুংগীপাড়া

১৪৩

১২

৯৫

-

৯৪

৮১

১০৮

৮৮

৬২১

৩৩৮

২৮৩

কোটালীপাড়া

২৩৬

৬২

২০২

১০০

১৭৮

৯৩

৮১

-

৯৫২

৪৬৭

৪৮৫

মুকসুদপুর

১২৬

৬৮

১৯৯

১৫৯

২৪২

-

১০০

৯৫

৯৮৯

৫০৮

৪৮১

কাশিয়ানী

১১৪

৫৭

২৭৭

২২০

১৯০

৪৯

৯৩

-

১০০০

৫২৬

৪৭৪

মোট

৮৩১

২৭২

৯৮৩

৭০০

৮৭৪

২২৩

৪৪৮

১৮৩

৪৫১৪

২৩১৮

২১৯৬

৩য় ব্যাচ

সদর

২১৭

৪১

২৬০

২৩৫

২৬৩

-

-

-

১০১৬

৫১৭

৪৯৯

টুংগীপাড়া

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

কোটালীপাড়া

২৬৪

১২৭

০০

৮৫

২৯১

১০০

৯৯

০০

৯৬৬

৫০১

৪৬৫

মুকসুদপুর

১১০

৭৬

০০

২২৫

২২০

০০

১০০

১৯০

৯২১

৪৯১

৪৩০

কাশিয়ানী

১৩৫

৯৩

৩১৬

২৩৯

২৩৩

৫৪

৮৬

০০

১১৫৬

৭০৫

৪৫১

মোট

৭২৬

৩৩৭

৫৭৬

৭৮৪

১০০৭

১৫৪

২৮৫

১৯০

৪০৫৯

২২১৪

১৮৪৫

৪র্থ ব্যাচ

সদর

৪৪১

৭৮

০০

২১১

২৬৪

০০

১৫৬

০০

১১৫০

৫৮৬

৫৬৪

টুংগীপাড়া

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

কোটালীপাড়া

১৩২

৬৮

৯৮

৯৭

১৯১

০০

৮৭

০০

৬৭৩

৩৬৩

৩১০

মুকসুদপুর

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

০০

কাশিয়ানী

২২২

৪২

৩৪৩

২০৮

২৬০

৯২

১৩৯

-

১৩০৬

৬৭২

৬৩৪

মোট

৭৯৫

১৮৮

৪৪১

৫১৬

৭১৫

৯২

৩৮২

-

৩১২৯

১৬২১

১৫০৮

সর্ব মোট =

৩২৩৫

১১৩৪

৩০৩৭

৩০৮৯

৩২৯৫

৬৩৩

১৫৪১

৩৭৩

১৬৩৩৭

৮৫৮১

৭৭৫৬

  

নেটওয়াকিং জরদারকরণ প্রকল্প

যুব উন্ন্য়ন অধিদপ্তর

গোপালগঞ্জ।

 

ভূমিকাঃ

     গণপ্রজতন্ত্রী বাংলাদেশ  সরকার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে  নেটওয়াকিং জরদারকরণ প্রকল্পে অষ্টম শ্রেনী শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন ১৮-৩৫ বছর  বয়সী যুবক/যুবমহিলাদের জাতি গঠনমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে সরকার কর্তৃক  ২০১১-২০১২ অর্থবছরে অনুমোদিত হয়। অনুমোদিত নীতিমালা  অনুসারে গোপালগঞ্জ জেলায় নেটওয়াকিং জরদারকরণ প্রকল্প কর্মসূচি চালু হয়। মাননীয়  জেলা প্রশাসক, গোপালগঞ্জ বিগত ০১/০২/২০১২ খ্রিঃ তারিখে গোপালগঞ্জ জেলায় নেটওয়াকিং জরদারকরণ প্রকল্প-এর  কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন । নীতিমালা  অনুসারে লক্ষ্যভূক্ত যুবদেরকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স নির্ধারিত মডিউলে ১০ দিনে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণটি সম্পূর্ণ আবাসিক।  প্রশিক্ষণোত্তর যুবদেরকে সনদপত্র প্রদান করা হয়। প্রত্যেক যুবক/যুবমহিলা-কে প্রশিক্ষণকালীন দৈনিক ৫০/-টাকা হারে এককালিন ৫০০/-টাকা প্রদান করা হয়। এ কর্মসূচি শিক্ষিত বেকার যুবদের জাতি গঠন মূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করণের একটি উলেস্নখযোগ্য প্রক্রিয়া। প্রশিক্ষণ গ্রহনের পর  উপার্জনে সক্ষম হবেন কিংবা আতম-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সাবলম্বিতা অর্জনে সক্ষম হবেন।

 

এক নজরে গোপালগঞ্জ জেলার নেটওয়াকিং জরদারকরণ প্রকল্প(জুন/ ২০১৩ পর্যন্ত)ঃ

১)    কার্যক্রম শুরুঃ ২০১১ - ২০১২ অর্থ বছর

২)    কর্মসূচির উদ্বোধনঃ ০১/০২/২০১২  খ্রিঃ

২.১)উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি

২.২)নির্বাচিত বেকার যুবসংখ্যাঃ ২৮৮ জন

২.৩)প্রশিক্ষণ সমাপনকারী যুবসংখ্যাঃ ২৮৮ জন